Acidity-Symptoms-causes-preventions-diagnosis-treatment-এসিডিটি

Acidity-Symptoms-causes-preventions-diagnosis-treatment-এসিডিটি

এসিডিটি কি?

মানুষের পাকস্থলীতে সব সময় হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCl) নিঃসরণ হচ্ছে। খাবারের সময় হলে, খাদ্য দর্শন,খাদ্যের আস্বাদন বা কোন মুখরোচক খাবারের ঘ্রাণ বা মনে পড়লে এই নিঃসরণের মাত্রা আরও বেড়ে যায়। এছাড়াও বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা, ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া, মানুষিক বিষণ্নতা ইত্যাদি কারণে এসিড নিঃসরণের মাত্রা বাড়ে, আর এই অতিরিক্ত নিঃসৃত এসিড ই পরবর্তীতে সৃষ্টি করে এসিডিটি বা গ্যাস্ট্রিক

What s Acidity

The major reason responsible for acidity is stomach acids. Hydrochloric acid
(produced inside the stomach) is an important component of our digestive system which helps in the breakdown of consumed food particles and also protects the body against harmful bacterias. However, the lining present in the
stomach is tough and can resist the action of hydrochloric acid. But on the contrary, the lining inside the food pipe (esophagus) is comparatively gentler and it cannot resist the corrosive action of hydrochloric acid and that is why we feel the burning sensation and repeated episodes of acid reflux is known
as GERD (Gastroesophageal Reflux Disease).

এসিডিটির যে লক্ষণগুলো প্রকাশ পায়ঃ

 
 

পাকস্থলীতে অতিরিক্ত বা ভারসাম্যহীন এসিড উৎপন্ন হবার ফলে, পেটের উপরের অংশে ব্যথা বা জ্বালা পোড়া অনুভূত, বুক জ্বালাপোড়া, গ্যাস, বমিভাব, টক ঢেঁকুর, মুখে দুর্গন্ধ, পেট ফাঁপা, ক্ষুধামন্দা, অল্প খেলেই ভরপেট অনুভব, ওজন হ্রাস,পিঠে ও বুকে ব্যথা ইত্যাদি লক্ষণ প্রকাশ পায়।

Symptoms of Acidity

What to expect when you have acidity

  1. Burning sensation in the chest- this is caused due to acid reflux inside the
    food pipe (esophagus) which worsens while lying or bending down This can
    happen for a few hours continuously and may worsen after consuming
    meals.
  2. You may experience pain in the neck and throat this is caused due to acid
    reflux
  3. You may burp a lot, often with a sour taste in the mouth
    4 Often people experience nausea and possibly even vomiting
  4. You could feel excessively full or bloated
  5. You may develop a continuous dry cough
  6. Some wheezing is quite common
  7. Minor throat problems such as a sore throat or a hoarse voice
  8. Pain in the throat for a long time
  9. You could find it difficult to swallow, and even experience some pain along
    with it
    li. Pain in the chest and upper abdomen
    12 Acid reflux may damage your tooth enamel
  10. Some people may develop a foul or unpleasant breath
  11. You may notice some blood in your stool or that it is darker than usual
    (black)
  12. Sometimes people get non-stop hiccups
  13. You could experience weight loss without any apparent reason

অ্যাসিডিটি বেড়ে যাওয়ার ১০ কারণ

আমাদের মধ্যে অনেকেই প্রায় এসিডিটির সমস্যায় ভোগেন। অথচ এই অ্যাসিডিটি হওয়ার পেছনে আমাদের কিছু অভ্যাস দায়ী। তাই কিছু অভ্যাসের পরিবর্তন করলেই এর থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যাবে। আসুন জেনে নেই এসিডিটি বেড়ে যাওয়ার ১০ কারণ।

 

খাওয়া শেষে দ্রুত ঘুমিয়ে পড়া

অনেকেই আছেন রাতে বা দুপুরে খাওয়ার শেষে ঘুমিয়ে পড়েন। এতে আমাদের খাবার পাকস্থলীতে যাওয়া পর্যন্ত বাঁধা সৃষ্টি করে। তাই খাবার পর কিছুক্ষণ হাঁটাচলা করে ঘুমানো উচিত।

স্থূলতা

স্থূলতা বা শরীরের অতিরিক্ত ওজন এসিডিটির সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। তাই অ্যাসিডিটি কমাতে শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

গভীর রাতে খাবার খাওয়া

সাধারণ খাবার খাওয়ার পর পাকস্থলীতে অনেক অ্যাসিড জমে যায়। আর রাতে খাওয়ার পর ঘুমালে এই এসিডের পরিমাণ আরও বেড়ে যায়।

প্রচণ্ড ঝাল খাবার

আমাদের মধ্যে অনেকে ঝাল জাতীয় খাবার খেতে পছন্দ করেন। কিন্তু যারা অ্যাসিডিটির সমস্যায় ভুগছেন তাদের জন্য এই ঝাল জাতীয় খাবার না খাওয়াই ভালো। কারণ ঝাল অ্যাসিডিটি বাড়িয়ে দেওয়ার অন্যতম কারণগুলোর মধ্যে একটি। এটা সরাসরি পাকস্থলীতে অ্যাসিডিটি বাড়িয়ে দেয়।

চা কফি ও অ্যালকোহল

চা, কফি, অ্যালকোহল ও সোডাসহ কিছু পানীয় সরাসরি অ্যাসিডিটি বাড়ায়। তাই যাদের প্রচণ্ড অ্যাসিডিটি সমস্যা আছে তাদের এসব পানীয় থেকে দূরে থাকাই ভালো।

ধুমপান এসিডিটি বাড়ায়

ধুমপানের কারণে আমাদের শরীরে অনেক ধরনের ক্ষতি হয়। তার মধ্যে অ্যাসিডিটি বেড়ে যাওয়া অন্যতম।

ওষধের খাওয়া

এসপিরিন, ইবুপ্রোফেন এবং ব্লাড প্রেসারের কিছু ওষুধের জন্যও অ্যাসিডিটি বাড়তে পারে।

প্রচুর ফ্যাট আছে এমন খাবার

প্রচুর ফ্যাট আছে যেসব খাবারে যেমন, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, বাটার, আইসক্রিম, পটেটো চিপস খেলে অ্যাসিডিটির পরিমাণ বাড়তে পারে।

যেসব ফলে এসিটিক এসিড আছে

লেবু, আনারস ও টক মিষ্টি জাতীয় ফলে খেলে অ্যাসিডিটি বেড়ে যায়। তাই যাদের এসিডিটি আছে তাদের এসব ফল না খাওয়াই ভালো।

চকলেট

অতিরিক্ত চকলেট খাওয়ার কারণেও অ্যাসিডিটি বেড়ে যেতে পারে। তাই অতিরিক্ত চকলেট না খাওয়াই শরীরের জন্য ভালো।

10 reasons for the increase in acidity

Many of us almost suffer from acidity problems. But this acidity-increase-10-causes "some of our habits are responsible for the occurrence of acidity. So changing some habits can get rid of it. Let's not know the 10 reasons for the increase in acidity.

Fall asleep quickly after eating

There are many who fall asleep at night or after lunch. This causes our food to get stuck in the stomach. So you should walk and sleep for a while after eating.

Obesity or excess body weight

Obesity or excess body weight is directly associated with acidity. So you have to control your body weight to reduce acidity.

Eating late at night

After eating normal food, a lot of acid accumulates in the stomach. And sleeping at night after eating increases the amount of this acid.

Extremely spicy food

Many of us like to eat salty foods. But for those who suffer from acidity, it is better not to eat this salty food. Because salinity is one of the reasons for increasing acidity. It directly increases the acidity in the stomach.

Tea, coffee and alcohol

Some drinks, including tea, coffee, alcohol and soda, directly increase acidity. So it is better for those who have severe acidity problems to stay away from these drinks.

Smoking increases acidity

Smoking causes many kinds of damage to our body. One of them is the increase in acidity.

 

Taking medicine

Aspirin, ibuprofen and some blood pressure medications can also increase acidity.

Foods that are high in fat

Foods that are high in fat, such as french fries, butter, ice cream, and potato chips, can increase the amount of acidity.

Which foods have acetic acid

Eating lemon, pineapple and pickled sweet fruit increases acidity. So those who have acidity should not eat these fruits.

Chocolate

Eating too much chocolate can also increase acidity. So it is better for the body not to eat extra chocolate.

এসিডিটি প্রতিরোধ

১. কলায় প্রচুর পটাশিয়াম থাকে। যা প্রাকৃতিক অ্যান্টাসিড। তাই অ্যাসিড রিফ্লাক্সের বিরুদ্ধে এটি প্রতিরোধক হিসাবে কাজ করে। প্রতিদিন একটি করে কলা খেলেই আপনার গ্যাস-অম্বলের সম্ভাবনা কমবে।

২. তুলসীপাতা পাকস্থলিতে শ্লেষ্মার মতো পদার্থ উৎপাদন বাড়াতে উদ্দীপনা যোগায়। তুলসীপাতায় শীতলীকরণ এবং বায়ুনাশক উপাদান রয়েছে যা গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটির কার্যকারিতা কমাতে সহায়ক। গ্যাসের সমস্যা হলেই ৫-৬টি তুলসীপাতা চিবিয়ে খেয়ে ফেলুন। অথবা ৩-৪টি তুলসীপাতা সেদ্ধ করে সেই জলে একটু মধু মিশিয়ে খেলে চটজলদি আরাম পাবেন।


৩. দারুচিনিতে রয়েছে প্রাকৃতিক অ্যান্টাসিড যা হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়। আধ চা চামচ দারুচিনি গুঁড়ো এক কাপ জলে মিশিয়ে ফুটিয়ে নিন। এরপর ঠান্ডা করে পান করুন। প্রতিদিন এভাবে তিনবার দারুচিনি মিশ্রিত জল পান করলেই আরাম পাবেন।


৪. পুদিনা পাতা অ্যাসিড নিঃসরণের গতি কমায় এবং হজম ক্ষমতা বাড়ায়। এই পাতার একটি শীতলীকরণ প্রভাবও আছে যা অ্যাসিড রিফ্লাক্সের সঙ্গে গলা, বুক জ্বালা কমায়। কয়েকটি পুদিনা পাতা একটি পাত্রের জলে নিয়ে ফুটিয়ে সেই জল ছেঁকে ঠান্ডা করে পান করলে উপকার।


৫. তাৎক্ষণিকভাবে অ্যাসিড কমিয়ে স্বস্তি দিতে পারে মৌরি। খাওয়ার পর মৌরি চিবিয়ে খেলে এই উপকার পাওয়া যায়। বদহজম এবং পেট ফাঁপার চিকিৎসায়ও এটি বেশ কার্যকর। এক গ্লাস জলে কয়েকটি মৌরি সারারাত ভিজিয়ে রেখে সকালে খালি পেটে তা পান করলে শরীর ঠান্ডা থাকবে এবং গ্যাস অম্বলের সম্ভাবনাও কমবে।

৬. টক দইয়ে থাকা ক্যালসিয়াম পাকস্থলীতে অ্যাসিড জমা হওয়া প্রতিরোধ করে। এর সঙ্গে গোলমরিচ যোগ করলে আরো ভালো ফল পাওয়া যাবে। টক দইয়ের ল্যাকটিক অ্যাসিড হজম প্রক্রিয়াকেও শক্তিশালী করে।

৭. লবঙ্গ পাকস্থলীর গ্যাস উৎপাদন প্রতিরোধ করে। প্রতিদিন দুটি লবঙ্গ চিবিয়ে খেলে উপকার।


৮. ডাবের জল পাকস্থলীতে শ্লেষ্মা উৎপাদনে সহায়ক। যা পাকস্থলীতে অতিরিক্ত গ্যাস জমতে দেয় না। ফলে গ্যাস-অম্বলের সমস্যা দূর হয়।

৯. ঠাণ্ডা দুধ খেলে পাকস্থলির গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিড স্থিতিশীল হয়ে আসে। দুধে ক্যালসিয়াম রয়েছে যা পাকস্থলীতে অ্যাসিড তৈরি প্রতিরোধ করে। তাই অ্যাসিডিটির সমস্যা হলেই এক গ্লাস ঠান্ডা দুধ পান করুন।


১০. এলাচ হজম ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক। এটি অতিরিক্ত অ্যাসিড নিঃসরণের সম্ভাবনা দূর করে। গ্যাস অম্বলের সমস্যায় দুটি এলাচ গুঁড়ো করে জলে ফুটিয়ে খেলে উপকার পাবেন।


১১. আদা কুচি করে বিট নুন দিয়ে খেলে গ্যাস,অম্বল রোধে অত্যন্ত ভাল ফল পাওয়া যায়।

 

Acidity Prevention

1. Bananas are rich in potassium. Which is a natural antacid. So it acts as a preventative against acid reflux. Eating a banana every day will reduce your chances of heartburn.

2. Basil stimulates the production of mucus-like substances in the stomach. Basil leaves contain cooling and antiseptic ingredients that help reduce the effectiveness of gastric or acidity. If you have gas problem, chew 5-6 basil leaves and eat it. Or boil 3-4 basil leaves and mix a little honey in the water and you will get quick relief.

3. Cinnamon contains natural antacids that improve digestion. Mix half a teaspoon of cinnamon powder in a cup of water and boil it. Then drink cold. If you drink water mixed with cinnamon three times a day, you will get relief.

4. Peppermint leaves reduce the speed of acid excretion and increase digestion. These leaves also have a cooling effect that reduces sore throat, chest irritation with acid reflux. Boil a few mint leaves in a pot of water, strain the water and drink it cold.

5. Fennel can provide immediate relief by reducing acid. This benefit is obtained by chewing fennel after eating. It is also very effective in treating indigestion and flatulence. Soaking a few fennel seeds in a glass of water overnight and drinking it on an empty stomach in the morning will keep the body cool and reduce the chances of heartburn.

6. Calcium in sour milk prevents the accumulation of acid in the stomach. Adding black pepper will give better results. The lactic acid in sour yogurt also strengthens the digestive process.

7. . Clove prevents gas production in the stomach. It is beneficial to chew two cloves every day.

8. Coconut water helps in the production of mucus in the stomach. Which does not allow excess gas to accumulate in the stomach. As a result, the problem of heartburn is eliminated.

9. Drinking cold milk stabilizes the gastric acid in the stomach. Milk contains calcium which prevents the formation of acid in the stomach. So if you have a problem with acidity, drink a glass of cold milk.

10. Cardamom helps to increase digestion. This eliminates the possibility of excess acid excretion. The problem of heartburn will be benefited by boiling two cardamoms in water.

11. Ginger is crushed and eaten with bit of salt to prevent gas and heartburn.

এসিডিটি ডায়াগনোসিস

এসিডিটি নির্ণয় করা হয় কীভাবে?
অ্যান্টাসিড ওষুধ ও চিকিত্সার নিয়মিত গ্রাস করার পরে যখন কোনও তাত্পর্যপূর্ণ ত্রাণ অনুভূত হয় না তখন অ্যাসিডিটির জন্য তদন্ত ও রোগ নির্ণয় শুরু করতে হবে, অ্যাসিডিটির সনাক্তকরণ এবং চিকিত্সা মোটেই জটিল প্রক্রিয়া নয়, বাস্তবে এটি
সহজে সনাক্তযোগ্য এবং সমাধান করা। তবে অনেক সময় অ্যাসিডিটির লক্ষণগুলি যেমন নিউমোনিয়া, হার্ট অ্যাটাক এবং বুকে-সম্পর্কিত অন্যান্য ব্যাধিগুলির অনুকরণ করে যার কারণে লোকেরা প্রায়শ উদ্বেগ প্রকাশ করে এবং তাত্ক্ষণিক চিকিত্সা সহায়তা পান

অ্যাসিডিটি নির্ধারণের জন্য নীচের আরও একটি পরীক্ষা করা যেতে পারে
এই শর্তগুলির একটি থেকে:

  1. এন্ডোস্কোপি
    এমন একটি প্রক্রিয়া যার মধ্যে ক্যামেরা অভ্যন্তরীণ দেহের অংশগুলি পরীক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়
  2. বুকাল গহ্বর (মুখ, খাদ্যনালী) গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ট্র্যাক্ট এবং পেট।
    জেড বায়োপসি একটি প্রক্রিয়া যার মধ্যে টিস্যু সুস্পষ্টভাবে সংগ্রহ করা হয় এবং এ এর ​​অধীনে পরিদর্শন করা হয় পরীক্ষাগারে মাইক্রোস্কোপ।
  3. বেরিয়াম এক্স-রে : গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল (জিআই) এর চিত্রগুলি ক্যাপচারের জন্য ব্যবহৃত একটি চিত্রের কৌশল
  4. খাদ্যনালী ম্যানোমেট্রি: খাদ্যনালীতে প্রয়োগ করা চাপ পরিমাপ করতে ব্যবহৃত একটি কৌশল।
  5. বাধা নিরীক্ষণ: পেটে উত্পাদিত অ্যাসিডের হার নিরীক্ষণের জন্য ব্যবহৃত একটি কৌশল।
  1. পিএইচ পর্যবেক্ষণ:
    একটি প্রক্রিয়া যার মধ্যে খাদ্যনালীতে প্রবেশ করে পেট অ্যাসিড পরিমাপ করা হয়

 

Diagnosis of Acidity
How is acidity diagnosed?

Investigations and diagnosis for acidity must begin when no significant relief is felt after regular consumption of antacid medications and therapies The detection and treatment of acidity is not a complex procedure at all, in fact, it is
easily detectable and resolved. But many a time the symptoms of acidity mimic conditions such as pneumonia, heart attack and other chest-related disorders due to which people often get anxious and seek immediate medical attention. One of more of the following tests may be done to discern acidity from one of these conditions:

  1. Endoscopy
    A process in which camera is used to check internal body parts such as
    buccal cavity (mouth, esophagus) gastrointestinal tract and stomach.
  2. Biopsy
    A process in which tissue is collected aseptically and inspected under a
    microscope in the laboratory.
  3. Barium X-ray
    An imaging technique used to capture images of the Gastrointestinal (GI) tract
  4. Esophageal manometry
    A technique used to measure the pressure applied to the esophageal tract.
  5. Impedance monitoring
    A technique used for monitoring the rate of acid produced in the stomach.
  6. pH monitoring
    A process in which stomach acid entering the esophagus is measured

এসিডিটি চিকিত্সা

অ্যাসিডিটি সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাবার টিপসসমূহ
১. এইচসিএল (HCL) লেভেলের ভারসাম্য বজায় রাখুন
অ্যাসিডিটি প্রতিরোধের জন্য প্রথম পদক্ষেপ হচ্ছে হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCL) উৎপন্নের পরিমাণটা প্রাকৃতিক উপায়ে কমিয়ে আনা। সিম্পল উপায় হলো আমরা সচরাচর যে লবণ খেয়ে থাকি

ঐটার পরিবর্তে উচ্চমানের সি সল্ট খেতে হবে। সি সল্ট-এ প্রয়োজনীয় মিনারেল এবং ক্লোরাইড-এ ভরপুর থাকে। যারা দেশের বাইরে থাকেন ওয়ালমার্ট-এ সহজেই হেইন সি সল্ট (Hain Sea Salt),
মরটোন সি সল্ট (Morton Sea Salt) পেয়ে যাবেন। আর আমার দেশী পাঠকেরা বড় বড় দোকানগুলোতে খুঁজে দেখতে পারেন। কিন্তু না পেলে হতাশ হবেন না, অপেক্ষা করুন আপনার জন্য আরও অনেক উপায় বলে দিচ্ছি!

২. প্রসেসড ফুড-এর সাথে অরগানিক ফুড বদল করুন
প্রসেসড ফুড একজন অ্যাসিডিটি-তে ভুক্তভোগির জন্য যেন কাঁটা ঘায়ে নুনের ছিটার মত। প্রসেসড ফুড যেমন – চিপস, কুকিজ, পিজ্জা পরিপাক তন্ত্রে ব্যাকটেরিয়াল ভারসম্যের ব্যাঘাত ঘটায়। তাই এই পরিস্থিতি সামাল দিতে তাজা সবজি এবং ফলমূল খান।

৩. বেকিং সোডা
বাইকার্বনেট সোডা অ্যাসিডিটি-এর চিকিৎসার অন্যতম প্রধান উপাদান। এক চামচ বেকিং সোডা এক গ্লাস পানিতে মিশিয়ে খেয়ে ফেলুন আর মুহূর্তেই চনমনে হয়ে উঠুন। কিন্তু যারা উচ্চ রক্তচাপের রোগী বা যাদের সোডিয়াম খাওয়া মানা আছে তারা এই পদ্ধতির বদলে অন্যটা চেষ্টা করুন।

৪. ঘৃতকুমারীর রস
ঘৃতকুমারী বা অ্যালোভেরাতো আমাদের দেশে এখন খুব সহজলভ্য হয়ে গিয়েছে। পেটের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের সাথে অ্যাসিডিটি-এর সমস্যাও সমাধান করে দেয়। এক আউন্স ঘৃতকুমারীর রসের সাথে ২ আউন্স পানি মিশিয়ে পান করুন।

Tips to get rid of acidity problem

  1. Maintain HCL level balanceThe first step in preventing acidity is to reduce the amount of hydrochloric acid (HCL) produced in a natural way. The simplest way is to eat the salt that we usually eat

Instead, eat high quality sea salt. Sea salt is rich in essential minerals and chlorides. For those who are out of the country, it is easy to find Hain Sea Salt at Walmart.
Get Morton Sea Salt. And my native readers can find it in big stores. But don’t be discouraged if you don’t, wait a minute there are many more ways for you.

 

  1. Replace organic food with processed food
    Processed food is like a drop of salt on a thorn in the side of an acidity sufferer. Processed foods such as chips, cookies, pizza disrupt the bacterial balance in the digestive system. So eat fresh vegetables and fruits to handle this situation.

 

3. Baking soda
Bicarbonate soda is one of the main ingredients in the treatment of acidity. Mix one teaspoon of baking soda in a glass of water and eat it. But those with high blood pressure or those who refuse to eat sodium should try this method instead.

4. Aloe vera juice
Aloe vera or aloe vera is now very available in our country. It solves various stomach problems as well as acidity problems. Drink one ounce of aloe vera juice mixed with 2 ounces of water.

৫. কাঁচা খাবার খান
রিসার্চ-এর মাধ্যমে দেখা গেছে স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী এনজাইম কাঁচা সবজি ফলমূলে পাওয়া যায় সেটা ১১০ ফারেনহাইট-এ নষ্ট হয়ে যায়। তাই রান্না করা থেকে কাঁচা খাবারে এই উপাদান যথেষ্ট পরিমাণে পাওয়া যায়। এই কাঁচা খাবার অ্যাসিডিটি-এর যন্ত্রণা থেকে আপনাকে বাঁচাবে।

৬. ভিটামিন ডি গ্রহন বাড়িয়ে দিন
পর্যাপ্ত পরিমানে ভিটামিন ডি গ্রহণ করলে শরীরে কমপক্ষে ২০০ অ্যান্টি-মাইক্রোবায়াল পেপ্টাইডস (antimicrobial peptides)-এর আগমন দেখা যায়। যা পরিপাক তন্ত্রের ইনফেকশন সারাতে সাহায্য করে। ডিম, কড লিভার অয়েল, দুধ, মাছ ভিটামিন ডি-এর উৎস।

৭. গ্লুটামিন
গ্লুটামিন এক ধরনের অ্যামাইনো এসিড যা আমাদের শরীরে উৎপন্ন হয়। ডিম, দুধ, মাছ, পালং শাকে গ্লুটামিন পাওয়া যায়। গ্লুটামিন ইনটেসটাইন ইনফ্লেমেশন (intestine inflammation)- এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।

৮. কলা
কলাতে যে এনজাইম আছে তা নাড়িতে শ্লেষ্মার মতো পদার্থ নিঃসরণ করে। এর ফলে অ্যাসিডিটি-এর কষ্ট থেকে নিস্তার পাওয়া যায়। কলাতে উপস্থিত পটাসিয়াম পেটের আলসার সারাতে আর অ্যাসিডিটি কমাতে সাহায্য করে। কিন্তু অ্যাসিডিটি-এর সময় কলা খেলে ১% এর ক্ষেত্রে অবস্থার আরও অবনতি হতে পারে।

৯. বাঁধাকপি
এটা বলা হয়ে থাকে যে কাঁচা বাঁধাকপির রস আলসার-এর চিকিৎসায় উপকারি ফল দেয়। কিন্তু এটাও প্রচলিত আছে যে বাঁধাকপি গ্যাস ফর্মের অন্যতম কারণ। আসলে এটা একেক জনের শারীরিক গঠনের উপর নির্ভর করে। বাঁধাকপিতে গ্লুটামিন প্রচুর পরিমাণে থাকে।

১০. শসা
যাদের শুধু শসা খেলে যাদের অ্যাসিডিটি হয়ে থাকে, তাদের জন্য বলছি ভাজাভুজির সাথে শসার সালাদ খেয়ে দেখুন অ্যাসিডিটি আপনার কাছ থেকে ১০০ হাত দূরে থাকবে।

১১. জিরা ও আজওয়ান
এক চা চামচ জিরা টেলে নিন এর সাথে এক চা চামচ আজওয়ান নিন। তারপর এক কাপ পানির সাথে ফুটিয়ে অর্ধেক করুন তারপর ছেঁকে নিন। অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তির জন্য এটা পান করুন। স্বাদ বাড়ানোর জন্য চিনি দিতে পারেন।

১২. আজওয়ান ও লবণ
যখন অ্যাসিডিটি হবে তখন আজওয়ান আর লবণ মিশিয়ে খান।

১৩. জিরা পানি
এক চা চামচ জিরা ১ লিটার পানিতে ফুটান। ১০মিনিট ধরে ঠাণ্ডা করুন। তারপর হালকা গরম থাকতেই পান করুন। দিনে ২বার এক সপ্তাহ ধরে পান করুন।

১৪. ডালিম ও বিট-এর রস
ডালিম এবং বিটের রস এক টেবিল চামচ মধুর সাথে খালি পেটে পান করুন। এক মাস নিয়মিত খান অবশ্যই উপকার পাবেন।

 

১৫. আদা
আদাতে জিঞ্জেরল, শ্যাগলস (gingerol, shogaols) নামের ২টি রাসায়নিক উপাদান থাকে, যা পাচনতন্ত্রকে ঠাণ্ডা করে। আদা সকল প্রকার পেটের পীড়া, গ্যাস প্রতিরোধক। অ্যাসিডিটি থেকে তাৎক্ষনিক মুক্তি পেতে এক কাপ গরম পানিতে হাফ চা চামচ আদা কুঁচি মিশিয়ে খেয়ে ফেলুন।

১৬. দারুচিনি
হাতের কাছে দারুচিনি থাকলে, তা পানিতে ফুটিয়ে ঠাণ্ডা হলে সে পানিটা খেয়ে নিন।

নিয়মিত খাদ্যাভ্যাস আর স্বাস্থ্যকর খাবার এসিডিটি থেকে মুক্তির প্রধান উপায়। তরমুজ, বাদাম, দই, লেবু আপনার দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় রাখুন। ধুমপান আর অ্যালকোহল পরিহার করুন। অতিরিক্ত ক্যাফেইন গ্রহণ অ্যাসিডিটির অন্যতম কারণ। সময় থাকতেই অ্যাসিডিটি সমস্যা এর প্রতি সচেতন হন। কারণ এই অল্প কষ্ট একদিন হয়ত প্রকট আকারে ধরা দেবে।

5. Eat raw food
Research has shown that the health-promoting enzyme found in raw vegetables is lost at 110 Fahrenheit. So this ingredient is found in sufficient quantities in raw foods from cooking. This raw food will save you from the pain of acidity.

6. Increase Taking vitamin D
Adequate intake of vitamin D can lead to the arrival of at least 200 anti-microbial peptides in the body. Which helps to cure digestive tract infections. Eggs, cod liver oil, milk, fish are sources of vitamin D.

 

7. Glutamine
Glutamine is a type of amino acid that is produced in our body. Glutamine is found in eggs, milk, fish and spinach. Glutamine builds resistance against intestinal inflammation.

8. Banana
The enzymes in bananas secrete mucus-like substances in the veins. This provides relief from the pain of acidity. Potassium present in bananas helps in healing stomach ulcers and reducing acidity. But playing bananas during acidity can worsen the condition in 1% of cases.

 

  1. Cabbage
    It is said that raw cabbage juice is beneficial in the treatment of ulcers. But it is also common that cabbage is one of the causes of gas form. In fact, it depends on the individual’s physical constitution. Cabbage is rich in glutamine.
  1. Cucumber
    For those who have acidity just by eating cucumber, I suggest you eat cucumber salad with barbecue, the acidity will be 100 hands away from you.
  1. Cumin and Azwan
    Take one teaspoon of cumin seeds and one teaspoon of ajwan. Then boil it in half with a cup of water then strain it. Drink it to get rid of acidity. You can add sugar to enhance the taste.
  1. Azwan and salt
    When there is acidity, mix azwan and salt and eat.
  1. Cumin water
    Boil one teaspoon of cumin in 1 liter of water. Cool for 10 minutes. Then drink while still warm. Drink twice a day for a week.
  1. Pomegranate and beet juice
    Drink pomegranate and beet juice on an empty stomach with one tablespoon of honey. Eating regularly for a month will definitely benefit you.
  1. Ginger
    Ginger contains two chemicals called gingerol and shogaols, which cool the digestive system. Ginger is resistant to all types of stomach ailments and gas. To get immediate relief from acidity, mix half a teaspoon of ginger in a cup of hot water and eat it.
  1. Cinnamon
    If you have cinnamon on hand, boil it in water and when it is cold, drink it.

Regular eating habits and healthy eating are the main ways to get rid of acidity. Put watermelon, nuts, yogurt, lemon on your daily food list. Avoid smoking and alcohol. Excess caffeine intake is one of the causes of acidity. Be aware of the acidity problem in time. Because this little trouble may one day come to fruition.