Preventive Care guideline-প্রতিরোধমূলক যত্নের গাইডলাইন

Preventive Care guideline-প্রতিরোধমূলক যত্নের গাইডলাইন

Preventive Care
Preventive Care guideline-প্রতিরোধমূলক যত্নের গাইডলাইন

করোনাকালে দাঁতের সুরক্ষা

অধ্যাপক ডা. হুমায়ুন কবীর বুলবুল, অধ্যক্ষ, ঢাকা ডেন্টাল কলেজ ঢাকা এবং মহাসচিব, বাংলাদেশ ডেন্টাল সোসাইটি।

করোনাভাইরাসের বিস্তারের এই সময়টায় দাঁতের চিকিৎসা অনেকটা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। করোনা ছোঁয়াচে রোগ আর মূলত মুখনিঃসৃত তরল কণার (ড্রপলেট) মাধ্যমে ছড়ায় বলে দন্তচিকিৎসকেরা যেমন ঝুঁকিতে আছেন, তেমনি রোগীরাও। তা ছাড়া ডেন্টাল বিভিন্ন প্রসিডিউরে অ্যারোসল তৈরি হয়, যা পুরো চেম্বার বা ডেন্টাল ক্লিনিককেই দূষিত করে ফেলতে পারে। অন্যান্য রোগীর জন্য যা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। সে বিবেচনায় আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোও নির্দেশনা দিচ্ছে যে মহামারি চলার সময় জরুরি চিকিৎসা ছাড়া অন্য কোনো চিকিৎসার ঝুঁকি না নেওয়াই ভালো।

দাঁতের ক্ষেত্রে অসহনীয় দাঁতব‍্যথা, মাড়ি থেকে রক্ত পড়া, গাল ফোলা যা চোখ বা গলা পর্যন্ত বিস্তৃত হয়ে যাওয়া, দুর্ঘটনায় আঘাত অথবা দাঁত পড়ে যাওয়া ইত্যাদি বিষয়গুলো জরুরি অবস্থা। এ জন্য এই সময়েও চিকিৎসকের কাছে অবশ্যই যাওয়া প্রয়োজন।

দন্ত চিকিৎসকদের জন্য পরামর্শ

কমিউনিটি ট্রান্সমিশনের গতিপ্রকৃতির নিরিখে বাংলাদেশ ডেন্টাল সোসাইটির ‘কোভিড-১৯ প্র্যাকটিস গাইডলাইন’ চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত জরুরি চিকিৎসার ক্ষেত্রে নিচের নিয়মনীতি অনুসরণ করা যেতে পারে। এতে সংক্রমণের ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

* অপেক্ষাকৃত তরুণ দন্ত চিকিৎসকেরা এ সময় জরুরি সেবা দিতে পারবেন।

* টেলিমেডিসিনের মাধ্যমে রোগীর সেবা দেওয়া সম্ভব হলে সেখানেই সীমিত রাখতে হবে।

* দন্ত চিকিৎসার পরামর্শের সময় অবশ্যই ডেন্টাল সার্জন ও রোগী—দুজনই মাস্ক পরবেন এবং কমপক্ষে ৩ ফুট দূরত্বে থাকবেন।

* রোগীর করোনা উপসর্গ থাকলে তাকে দ্রুত নির্ধারিত বুথ বা পরীক্ষাকেন্দ্রে যাওয়ার জন্য পরামর্শ দিতে হবে এবং সে ক্ষেত্রে কোভিড-১৯ পরীক্ষা ছাড়া কোনো চিকিৎসা করা যাবে না।

* সঠিক সুরক্ষাসামগ্রী ছাড়া কোনোভাবেই চিকিৎসা দেওয়া যাবে না। সংশ্লিষ্ট ডেন্টাল সার্জনকে সুরক্ষাসামগ্রীর যথাযথ ব্যবহার, পিপিই পরা এবং খোলা এবং শেষে জীবাণুমুক্ত (ডিসপোজ) করার সঠিক নিয়ম অবশ্যই জানতে হবে।

* ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি যথাযথভাবে জীবাণুমুক্ত করার নিয়ম জানতে হবে। প্রয়োজনে ডিসপোসেবল যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে হবে।

* ডেন্টাল সার্জনদের নিজস্ব চশমার বাইরে অবশ্যই ফেস শিল্ড ব্যবহার করতে হবে।

* যেসব চিকিৎসায় অ্যারোসল তৈরি হয় যেমন রুট ক্যানাল ওপেনিং, ফিলিংয়ের জন্য ক্যাভিটি প্রিপারেশন—এগুলো এখন করা যাবে না।

* চিকিৎসার পর সারফেস ডিসইনফেক্টেন্ট করতে হবে।

* চিকিৎসার প্রতিটি ধাপে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হবে।

* পরিবারের সুরক্ষার জন্য ক্লিনিকের পোশাক (অ্যাপ্রোন, ওটি ড্রেস ইত্যাদি) বাসায় না নেওয়া ভালো। বাসায় গিয়ে ব্যবহৃত পোশাক ডিটারজেন্টের মধ্যে আধা ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে এবং ভালোভাবে গোসল করে জীবাণুমুক্ত হয়ে পরিবারের অন্য সদস্যদের সান্নিধ্যে যেতে হবে।

দাঁতের যত্ন বাড়িতেই

করোনার ঝুঁকি নিয়ে দন্ত চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার চেয়ে এ সময় দাঁতের যত্ন নিন আর ছোটখাটো চিকিৎসা বাড়িতেই সারুন। সে জন্য দাঁত ও মুখগহ্বরের যত্নে সাধারণ কিছু পরামর্শ মানলে ঝুঁকি কমবে।

* সঠিক সময় এবং সঠিক পদ্ধতিতে নিয়মিত ব্রাশ করতে হবে। সকালে ও রাতে, খাবারের পর ২ মিনিট ধরে ২ বার। মনে রাখতে হবে, সকালে কিন্তু অবশ‍্যই নাশতা খাওয়ার পর ব্রাশ করতে হবে।

* দাঁত ব্রাশের সঙ্গে ফ্লসিং ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। ব্রাশ করার আগে কিংবা পরে যেকোনো সময় ফ্লসিং করা যেতে পারে, তবে ব্রাশ করার আগেই করা ভালো। একটা কথা মনে রাখবেন, সাধারণ ব্রাশ দিয়ে দাঁতের সব জায়গায় বিশেষ করে দুই দাঁতের মধ্যবর্তী স্থান পরিষ্কার করা অনেক সময় সম্ভব হয় না।

* মাউথওয়াশের ব্যবহার মুখগহ্বর ও দাঁতের জন্য উপকারী। সহজভাবে বাড়িতে কুসুম গরম পানিতে লবণ দিয়ে কুলকুচা ও গার্গল করতে পারেন। এ ছাড়া বাজারে নানা ধরনের মাউথওয়াশ পাওয়া যায়, যেগুলো ক্লোরহেক্সিডিন ও পোভিডন আয়োডিনসমৃদ্ধ। চাইলে সেগুলো আমরা ব‍্যবহার করতে পারি। খাবার খাওয়ার ৩০ মিনিট পর মাউথওয়াশ ব্যবহার করতে হবে। ন্যূনতম ৩০ সেকেন্ড এবং মাউথওয়াশ ব্যবহারের ৩০ মিনিট পর্যন্ত অন্য খাবার না খাওয়া ভালো। তাতে মাউথওয়াশ ব্যবহারের উপকারিতা বেশি পাবেন।

* নিয়ম মেনে ব্রাশ করার সঙ্গে করোনাভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে লবণ গরম পানির কুলকুচা করা আর হালকা গরম পানি পান করার অভ্যেস করুন। গরম হারবাল চা, গ্রিন টি, স্যুপ ইত্যাদি পান করতে পারেন।

* চিনিযুক্ত এবং আঠালো খাবার খেলে জোরে জোরে কুলি করতে হবে, বিশেষ করে শিশুদের দিকে নজর রাখবেন। এ ধরনের খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলাই ভালো।

* মাড়ি মালিশ করাটাও খুবই উপকারী। তর্জনী দিয়ে সহজে এই কাজ করা যায়। এতে মাড়িতে রক্ত চলাচল বাড়ে এবং মাড়ি সুস্থ থাকে।

* শিশুদের ক্ষেত্রে দাঁত ওঠার পর থেকেই দাঁত পরিষ্কার করতে হবে। সে ক্ষেত্রে আনুমানিক ৬ মাস বয়স থেকেই কিন্তু এই প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। পরিষ্কার, ভেজা, নরম কাপড় দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করে দিন। সঙ্গে অবশ্যই জিহ্বা পরিষ্কার করবেন। যতবার দুধ খাওয়ানো হবে, মনে রাখতে হবে শেষ ফিডিংটা যাতে পানি হয়। শিশুর দুধে চিনি মেশানো থেকে বিরত থাকতে হবে এবং কাপ কিংবা চামচে খাওয়ানোর অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। বোতলে খাওয়ানো যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে। বোতল ফিডিংয়ে শিশুদের দুধদাঁত এবং স্থায়ী দাঁত—দুটোই অনেকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ৭-৮ বছর পর্যন্ত শিশুদের ব্রাশ করাতে হবে বড়দের তত্ত্বাবধানে।

* গর্ভবতী মায়েরা বিশেষ সাবধানতা অবলম্বন করবেন। গর্ভকালীন অবস্থায় অনেক ধরনের দাঁতের চিকিৎসা নেওয়া সম্ভব হয় না। তাই প্রতিরোধমূলক ব‍্যবস্থা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বয়োবৃদ্ধ, ডায়াবেটিস, রক্তচাপ, হৃদ্‌রোগী ও কিডনি রোগীদের এ সময় বাইরে বা খুব জরুরি না হলে হাসপাতালে না যাওয়াই ভালো।

অনুলিখন: ডা. সিদ্ধার্থ মজুমদার

করোনাভাইরাস (COVID-19) এবং গর্ভাবতী মায়েদের বিষয়ে ইউএনএফপিএর বিবৃতি

ইউএনএফপিএ (জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল), জাতিসংঘের একটি অঙ্গ সংস্থা যা যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) করোনা ভাইরাসকে একটি আন্তর্জাতিক জরুরী জনস্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে ঘোষনা করেছে। করোনার (COVID-19) প্রাদুর্ভাবের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য ইউএনএফপিএ, সরকার এবং জাতিসংঘের অনান্য অংগ সংস্থাগুলির সাথে নিবিড়ভাবে পরিবীক্ষণ এবং প্রতিকারের জন্যে কাজ করছে।

ইউএনএফপিএ, প্রজনন বয়সী যে কোন নারী এবং গর্ভবতীদের করোনা সংক্রমণ হতে সতর্কতা, সম্ভাব্য ঝুঁকি এবং সময়োপযোগী চিকিৎসা সেবা নেওয়ার বিষয়ে সঠিক তথ্য-উপাত্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে কাজ করছে।

ডাঃ নাটালিয়া কানেম, ইউএনএফপিএর নির্বাহী পরিচালক বলেন, “যদিও স্বাভাবিকভাবেই করোনভাইরাসটির প্রতি ভয় এবং অনিশ্চয়তা রয়েছে, তবুও আমাদের অবশ্যই সঠিক তথ্য-উপাত্ত দিয়ে এ বিষয়টির মোকাবেলা করতে হবে।” তিনি আরও বলেন “আমাদের অবশ্যই একাত্মভাবে যে কোন কুসস্কার ও বৈষম্য দূর করতে হবে, এবং জনগণ তাদের প্রয়োজনীয় তথ্য এবং সেবা, বিশেষকরে গর্ভবতী এবং দুগ্ধদানকারী নারীরা যেন তাদের সেবা পেতে পারে তা নিশ্চিত করতে হবে।”

যে কোন মহামারীর সময় যৌন এবং প্রজনন স্বাস্থ্য ব্যাবস্থাপনা বিশেষ ঝুঁকির মধ্যে থাকে। একটি সক্রিয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ও যথাযথ ভাবে সংক্রমণ প্রতিরোধ সতর্কতা মেনে চলার উপর নিরাপদ গর্ভবস্থা এবং প্রসবকালীন স্বাস্থ্য নির্ভর করে।

যেহেতু COVID-19 প্রাদুর্ভাব গর্ভবতী নারীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলতে পারে, তাই ইউএনএফপিএ এই মায়েদের ঝুঁকিগুলির ক্ষেত্রে কিছু সীমিত প্রমানসহ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা এবং প্রস্তাবিত সহায়ক চিকিৎসার বিষয়ে সুপারিশ করছে।

গর্ভবতী মহিলাদের COVID-19-এ আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয় এ বিষয়ে আজ অবধি কোনও বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। তবে গর্ভাবস্থায় নারীদের বেশকিছু শারীরিক পরিবর্তন হয় যার ফলে গর্ভবতী নারীর শ্বাস প্রশ্বাসের সংক্রমণ হওয়ার আশংকা থাকে। তাই এই প্রতিকূল আবস্থা থেকে ঝুঁকিমুক্ত রাখার জন্য গর্ভবতী নারীদের শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা হলে তা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের সাথে চিকিৎসা করা উচিত।

অন্যান্য প্রাপ্তবয়স্কদের মতই গর্ভবতী নারীদের জন্যেও সংক্রমন এড়াতে একই প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত, যেমন যদি হাঁচি-কাশি হয় এমন কারও সাথে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ এড়ানো, বার বার সাবান এবং পানি বা স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধোয়া, হাঁচি বা কাশি দেওয়ার সময় মুখ এবং নাককে টিস্যু দিয়ে ঢেকে রাখা বা কনুই ব্যাবহার করা এবং মাছ, মাংস এবং ডিম ইত্যাদি পুরোপুরি সিদ্ধ করে রান্না করে খাওয়া। এ সকল তথ্যসমূহ ডব্লিউএইচও ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে (WHO website)।

এই মুহূর্তে, ভাইরাস প্রতিরোধ বা নিরাময়ের জন্য এখন অবধি কোন ভ্যাকসিন বা চিকিৎসা পদ্ধতি নেই তবে লক্ষণগুলো দেখা গেলে কিছু চিকিৎসা সেবা প্রস্তাব করা হচ্ছে। সন্দেহজনক বা নিশ্চিত COVID-19-এ সংক্রমণযুক্ত গর্ভবতী নারীদের চিকিৎসা তাদের প্রসুতী ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞদের সাথে পরামর্শক্রমে প্রাপ্তবয়স্ক রোগীদের জন্য ডব্লিউএইচও এর দ্বারা সুপারিশকৃত চিকিৎসা পদ্ধতি অনুসরন করার মাধ্যমে সেবা প্রদান করা।

ইউনিসেফের মতে, যেহেতু মায়ের দুধের মাধ্যমে শ্বাসকষ্টের ভাইরাস সংক্রমণ হতে পারে এমন কোনও প্রমান নেই, তাই স্তন্যপান করানো মায়েদেরকে তাদের নবজাতকের থেকে পৃথক করা উচিত নয়। মায়েরা নিম্ন উল্লেখিত সতর্কতা অবলম্বন করে যতক্ষণ প্রয়োজন ততক্ষণ স্তন্যদান করানো চালিয়ে যেতে পারেন:

করোনার পর্যাপ্ত লক্ষণসম্বলিত মায়েদের বুকের দুধ খাওয়ানোর জন্য একটি মাস্ক পরানো উচিত যখন কোন সন্তান কাছে থাকে (খাওয়ানোর সময় সহ) শিশুর সংস্পর্শে আসার পূর্বে এবং পরে (খাওয়ানো সহ) হাত ধোয়া উচিত এবং পরিষ্কার / জীবাণুমুক্ত করা উচিত।
কোনও মা যদি বুকের দুধ পান করানোর ক্ষেত্রে খুব অসুস্থ হন তবে তাকে একটি পরিষ্কার কাপে দুধ বের করে এবং / বা চামচ দিয়ে শিশুকে দেওয়া যেতে পারে, তবে সে সময় – মাস্ক পরা, শিশুর সংস্পর্শে আসার পূর্বে এবং পরে (খাওয়ানো সহ) হাত ধোয়া এবং স্তনের উপরিভাগ ও চারিপাশ পরিষ্কার / জীবাণুমুক্ত করা এসব ব্যাপারে উৎসাহিত করা উচিত ।

ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তি, পরিবার, সম্প্রদায় এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য মানসিক স্বাস্থ্য এবং মনো-সামাজিক সহায়তা প্রদান, করোনা মোকাবিলায় একটি গুরুত্বপূর্ণ অংগ।

ইউএনএফপিএ ক্ষতিগ্রস্ত সম্প্রদায় বিশেষত সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ নারী ও মেয়েদের সাথে রয়েছে যাদের সুরক্ষা

এবং স্বাস্থ্যগত চাহিদা মেটানোই আমাদের কার্যক্রমের মূল উদ্দেশ্য । এই ধরনের মহামারী মোকাবিলায় আমরা বিশ্বজুড়ে আমাদের কর্মীদের সাথে অভ্যন্তরীণ প্রস্তুতি এবং সেইসাথে অংশীদারদের, সরকার এবং কমিউনিটিকে সমৃক্ত করে একসাথে কাজ করছি।

Link: https://world.physio/bn/resources/glossary#prescribe-regulation